সাফল্য সঙ্গীত চর্চা কেন্দ্র ।। Society of Music
সাফল্য সঙ্গীত চর্চা কেন্দ্র ।। Society of Music
গান মানুষের শোনার এবং গান গাওয়ার কিছু উপকারিতা নিয়ে কিছু কথা বলছি, যেগুলো শুনে তারা উৎসাহিত হতে পারে:
মনের প্রশান্তি: গান শোনা মনের প্রশান্তি আনে, চাপ কমায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।সৃজনশীলতা বৃদ্ধি: গান এবং সঙ্গীত চর্চা সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে। সঙ্গীতের মাধ্যমে নতুন কিছু সৃষ্টি করার প্রেরণা পাওয়া যায়।
মনোযোগ বৃদ্ধি: সঙ্গীত চর্চা মনোযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। গানের তাল, লয়, ও সুর মনে রেখে গান গাওয়া মনোযোগ উন্নত করে।
অভিব্যক্তি প্রকাশ: গান গাওয়া একটি শক্তিশালী মাধ্যম যার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ করতে পারে।
দলের মধ্যে কাজের দক্ষতা: গানের দল বা ব্যান্ডে কাজ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে এবং দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।মৌলিক দক্ষতা উন্নয়ন: গান এবং সঙ্গীত শেখার মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি, গণিত, ভাষা এবং সমন্বয় দক্ষতার উন্নয়ন হয়।
আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: মঞ্চে গান গাওয়া বা সঙ্গীত প্রদর্শনীর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
সাংস্কৃতিক সচেতনতা: বিভিন্ন ধরণের সঙ্গীত শোনার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারা যায় এবং সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।গান এবং সঙ্গীত চর্চার এই সমস্ত উপকারিতা শিক্ষার্থীদের জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং তাদেরকে উৎসাহিত করতে পারে।
বর্তমানে বাংলা ব্যান্ড, আধুনিক গান কোন কিছুতেই বাংলা গান পিছিয়ে নেই। ব্যান্ডের মধ্যে মহীনের ঘোড়াগুলি, ফসিলস্, চন্দ্রবিন্দু, ভূমি, ক্যাকটাস, পৃথিবী, ফকিরার মতো অসংখ্য ব্যান্ডের গানও নতুনত্ব উন্মোচন করে। সুতরাং এটা বলা যায় বাংলার পল্লীগান, যাত্রাপালা, কীর্তন, বাউল সব বাঙালির সাথে জুড়ে আছে। বাঙলার সংগীতচর্চার নিত্য নতুন ধারা কখনও থেমে থাকেনি ভবিষ্যতেও এই ধারা বর্তমান থাকবে এটা আমরা আশা করতেই পারি।
বাংলা মৌলিক গানের জগতে এখন নানান পরিবর্তন আসছে। এ প্রজন্মের নিত্যনতুন শিল্পীদের হাত ধরে বাংলা মৌলিক গান অন্য মাত্রা পাচ্ছে। আজ থেকে বছর পাঁচেক আগে যদি চোখ রাখি তাহলে সেই সময় মনে হতো বাংলা মৌলিক গানের জগৎ হয়তো ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু বহু বাঙালি শিল্পীদের প্রচেষ্টায় বাংলা মৌলিক গান এখন নতুন সময়ের সূচনা করছে।








Comments
Post a Comment